Thursday, April 20, 2017

সামসাং গ্যালাক্সি এস৮ ও এস৮+

গত ২৯শে মার্চ সারা বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় সামসাং গ্যালাক্সি এস৮ ও গ্যালাক্সি এস৮+ ছাড়ার ঘোষনা দেওয়া হয়। বাংলাদেশে সামসাং বাংলাদেশ ও গ্রামীন ফোনের পক্খ থেকে স্মার্ট  ফোন দুটি ছাড়ার ঘোষনা দেওয়া হয়। www.preorders8.com   ও গ্রামীন ফোনের ওয়েবসাইটে স্মার্ট ফোন দুটি ছাড়ার অগ্রীম অর্ডার নেওয়া হচ্ছে। আগামি এই মে মাসে স্মার্টফোন দুটি বাজারজাত করার আশা রয়েছে। গ্যালাক্সি এস৮ ম্যাপল গোল্ড ও মিডনাইট ব্ল্যাক এই দুই রঙে আসবে।
সামসাং গ্যালাক্সিএস৮
গ্যালাক্সি এস৮+ ম্যাপল গোল্ড, মিডনাইট ব্ল্যাক ও কোরাল ব্লু রঙে আসবে। সাব গ্রামীনফোন সেন্টার ও সামসাংয়ের অনুমোদিত সব দোকানে স্মার্টফোন দুটি কেনা যাবে।গ্যালাক্সি এস৮ এর বাজার মূল্য ৭৭,৯০০ টাকা ও গ্যালাক্সি এস৮+ এর মূল্য ৮৩,৯০০ টাকা।
এর ক্যামেরা ৮ মেগাপিক্সেল, অটোফোকাস (এফ.১.৭),এর পেছনে ডুয়াল পিক্সেল১২, মেগাপিক্সেল(এফ১.৭),স্মার্ট অপটিক্যাল ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন |
সামসাং গ্যালাক্সিএস৮
সে্ন্সর-অ্যাক্সেলেরোমিটার, গাইরো, ব্যারোমিটার, আঙুলের ছাপ, আইরিশ, আরজিবি লাইট,প্রক্সিমিটি, প্রেশার|
এর মেমরি ৪ গিগাবাইট এ্যাম |এর আভ্যন্তরীন মেমরি ৬৪ গিগাবাইট।এর মেমরিকার্ড ২৫৬ গিগাবাইট।
এর ব্যাটারি (গ্যালাক্সি এস৮) ৩০০০ মিলিঅ্যাম্পায়ার এবং গ্যালাক্সি এস৮+ এর ব্যাটারি ৩৫০০ মিলি অ্যাম্পায়ার।  এটি এন্ড্রয়েড ৭.০। এর ওজন ১৫৫ গ্রাম।গ্যা্লাক্সি এস৮ এর ওজন ১৭৬ গ্রাম।
এটা বিক্স বি, সামসাং ডেক্স ডিসপ্লে। গ্যালাক্সি এস৮এর ডিসপ্লে ইনফিনিটি এবং ৫.৮ ইন্চি সুপারঅ্যামোলেড। এটি কোয়াড এইচ ডি+,২৯৬০× ১৪৪০ পিক্সেল।
সামসাং গ্যালাক্সিএস৮+
এর অনুপাত ১৮.৫.৯। এর প্রতি ইন্চিতে আছে ৫৭০ পিক্সেল।
    গ্যালাক্সিএস৮+ এর ডিসপ্লে ইনফিনিটি ৬.২ ইন্চি সুপারঅ্যামলোড,
কোয়াড এইচডি+। ২৯৬০×১৪৪০ পিক্সেল
অনুপাত_ ১৮.৫.৯। ৫২৯ পিক্সেল প্রতি ইন্চিতে।
সামসাং গ্যালাক্সিএস৮+

Monday, April 3, 2017

ফাঁপা টর্চলাইট

এন মাকোসিংকি নামের এক ১৬ বৎসরের কিশোরী নতুন এক ব্যাটারি বিহীন টর্চলাইট উদ্ভাবন করেছে যা জ্বলবে হাতের তালুর স্পর্শেই।এই কিশোরী ১০০০ জন তরুন প্রজন্মের বিপক্খে গুগোল ইন্টারন্যাশনাল সায়েন্স ফেয়ারে অংশগ্রহন করে |  এবং প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়ে প্রথম পুরস্কার পায়। সে ২৫০০০ ডলার স্কলারসিপ পায়।  তার উদ্ভাবিত টর্চলাইটটি ব্যাটারি ও এনার্জিমুক্ত, যা শক্তি সন্চয় করবে আপনার হাত থেকে। এন যখন ফিলিপাইন ভ্রমনে যায়, তখন দেখতে পেয়েছিল যে, অনেক ছাত্রছাত্রীরা ইলেকট্রিসিটির অভাবে পড়তে পারছিলনা।
ফাঁপা টর্চলাইট
দুরভাগ্যজনক ভাবে সমস্যা,  উন্নয়নশীল দেশের জন্য এটা একটা সাধারন ও বড় সমস্যা, যেখানে লোকজনের সামর্থ নেই ইলেকট্রিসিটি
বিল দেয়ার।এন মনে মনে পড়ছিল যে, কিভাবে মানব দেহ থেকে শক্তি সন্চয় করে
১০০ ওয়াটের বাল্ব জালানো যায়। সে খুব উৎসাহিত হল , কিভাবে শরীরের  তাপমাত্রাকে কাজে লাগিয়ে
বিদ্যুতে রুপান্তর করে শক্তি উৎপন্ন করা যায় এবং তা দিয়ে টর্চলাইট.
জ্বালানো যায়।  সে এটা জানত যে, কোন পরিবাহি পদার্থ যখন উত্তপ্ত হয়, তখন ইলেকট্রনকে মুক্ত করে আর শীতল পরিবাহি পদার্থ ইলেকট্রনকে পদার্থের ভিতরের দিকে রাখে।
যখন একটা সিরামিক টাইলকে উত্তপ্ত করা হয় এবং আরেকটা সিরামিক টাইলস দিয়ে চাপ দেয়া হয়, যা শীতল তখন ইলেকট্রনগুলো উত্তপ্ত স্হান থেকে স্হানান্তরিত হয়ে শীতল অংশের
দিকে যায়, যার ফলে বিদ্যুত উৎপন্ন হয়।এটাকে থার্মোইলেকট্রিক এফেক্ট বলে।
এন দুটো সিরামিক টাইলস দিয়ে পর্যবেক্খন শুরু করল এবং এ দুটোর মাঝে একটা পরিবাহি সারকুইট জুড়ে দিয়ে, আর এতে বিদ্যুত
ফাঁপা টর্চলাইট
উৎপন্ন হল, যা তার টর্চলাইট জ্বালানোর জন্য প্রয়োজন। তার এই পদ্ধতিটা কাজে লাগিয়ে ফাঁপা টর্চলাইট তৈরী করেছিল, যা এই সিরামিক টাইলসের উপরের অংশ আপনার হাতের তালুর স্পর্শে
উত্তপ্ত হবে ।আর খেয়াল রাখতে হবে সিরামিক টাইলসের ভিতরের অংশ যাতে
ঠান্ডা থাকে এবং এটার সাথে একটা ফাঁপা এলুমিনিয়ামের টিউব জুড়ে দেয়া ।
এতে যদিও প্রয়োজনীয় বিদ্যুত উৎপন্ন ( ৫ মিলিওয়াট) হলো তবুও এন পর্যবেক্খন করে দেখল যে, টর্চলাইট জ্বালানোর জন্য এটা যথেষ্ঠ নয়, তাই সে এর সাথে একটা ট্রান্সফমার জুড়ে দিল এবং এতে এবং ৫ ভি(৫v) বিদ্যুত উৎপন্ন হল। আর তাতে তার এই টর্চটি আগের চেয়ে ভাল জ্বলতে লাগল।
টাইম ম্যাগাজিন এনকে এই পৃথিবীর ৩০ জনের একজন হিসেবে তালিকা করেছে যারা আমাদের এই পৃথিবীকে পরিবর্তনের দিকে নিয়ে যাবে।
ফাঁপা টর্চলাইট
এন এখন তার উদ্ভাবিত ফাঁপা টর্চলাইটটি বাজারজাত করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে।