Saturday, February 25, 2017

রক্ত মুখী নীলার রহস্য

খুনী নীলম হচ্ছে সবচেয়ে বিপদময়।এটা এত ভয়াবহযে মৃত্যু ডেকে আনতে পারে।
এটা দেখতে লাল বা গোলাপী আভাযুক্ত নীলা পাথর।বিশ্বাস করা হয়যে, রক্তমুখী নীলা যার হাতে থাকবে তার খুব তাড়াতাড়ি ভাগ্য পরিবর্তন হয় আর এটি নাম, যশ,খ্যাতি এনে দেয়।
  রক্তমুখী নীলা

 হতাশাগ্রস্ত মানুষদের কাছে এটি বরাবরই খুবই আকর্ষনীয়। এটাকে খুনী নীলম বলে কারন এটি মৃত্যু ডেকে আনে।  এটি সাময়িক উন্নতি আনে কিন্তু ফলাফল মৃত্যু । অনেকের কাছ থেকে এর সত্যতা পাওয়া যায়।এরকম ঘটনা জানা গেছে যে, এটা ব্যবহারের একদিনের মধ্যে একজন মরেছে আরেকজন মারা গেছে ৫বছর পর।কারন যাই হউক, অনেকে বলে শনি গ্রহের সংযোগে বা শনি রাহুর সংযোগে এটা ঘটে। তাই কখনোই এই রত্ন পাথর ব্যবহার করা উচিত না কারন এটা আপনার কিংবা আপনার প্রিয়জনের জন্য বিপর্যয় নিয়ে আসতে পারে। আর তাই জীবনে সফলতা আসুক আর নাই আসুক , সবাইর উচিত নিজের চেষ্টায় ভাগ্য পরিবর্তন করা, কারন সর্বশক্তিমান আল্লাহ মানুষকে শক্তি, বুদ্ধি আর মেধা দিয়েছেন যা সে কাজে লাগাতে পারে।দিল্লী বেগুনী নীলা নামে বিখ্যাত এক অভিশপ্ত নীলা আছে যা ১৮৫৫ সালে লুট হয়ে বৃটিশদের কাছে যায়। এটা অনেকের জন্য বিপদ আনে।
পরে এটা যাদুঘরে সংরক্খন রাখা হয়।
  রক্তমুখী নীলা

  রক্তমুখী নীলা

Friday, February 3, 2017

বিশ্ববিখ্যাত উপন্যাসিক স্যার হেনরি রাইডার হেগার্ড

স্যার হেনরি রাইডার হেগার্ড 
স্যার হেনরি রাইডার হেহেগার্ড ছিলেন একজন জনপ্রিয় ইংরেজ রোমান্ছকর উপন্যাসের লেখক।
তার লেখার বিষয় প্রধানত আফরিকা ঘিরে ও বিশ্বের হারানো অতীত ঐতিহ্য নিয়ে।
তিনি ছিলেন তৎকালীন বৃটিশ রাজার অধিনে কৃষি সংস্কারক হিসেবে। তার উপন্যাসগুলো ছিল খুব জনপ্রিয় ও অনুপ্রেরনামুলক।তার জন্ম হয়েছিল ১৮৫৬ সালের ২২ জুন ইংল্যান্ডে ব্রাডেনহামের নরফলক শহরে।তার পিতা স্যার উইলিয়াম মেভোবন রাইডার হ্যগার্ড ছিলেন একজন ব্যরিস্টার এবং তার মা ইলা ডোভেটন ছিলেন একজন লেখক ও কবি।
তিনি খুবই অনুপ্রানিত হয়েছিলেন ফ্রেডেরিক সেলেস ও ফ্রেডেরিক রাসেল ব্রানহাম দ্বারা।
১৮৮২ সালে তিনি আফরিকা থেকে ইংল্যান্ড ফিরে আসেন এবং আইন ব্যবসা ছেড়ে লেখালেখিতে মন দেন। ১৮৮৫ সালে তার লেখা কিং সোলেমন,স মাইন প্রকাশিত হয়।
১৮৯৬  সালে তার লেখা দা উইজার্ড, ব্ল্যাক হার্ট এন্ড হোয়াইট হার্ট, এ জুলু আইডেল এন্ড এলিসা প্রকাশিত হয়।  "সি" তার লেখা একটি খুবই জনপ্রিয় উপন্যাস ১৮৮৬ সগ্রাফিক্টো বর থেকে ১৯৮৭ সালের জানুয়ারী পর্যন্ত গ্রাফিক ম্যগাজিনে প্রকাশিত হয় এবং বই হিসাবে প্রকাশিত হয়।
বইটির সারা বিশ্বে ১০০ মিলিয়ন কপি বিক্রি হয় এবং ৪৪টি ভাষায় অনুবাদিত হয়।তার লেখা আরো বই যেমন নাদা দা লিলি, এরিক ব্রাইট আইস, বেনিতা ইত্যাদি।১৯২৫ সালের ২৫ মে ৬৮ বৎসর বয়সে তিনি মৃত্যু বরন
করেন ।







স্যার হেনরি রাইডার হেগার্ড