Showing posts with label Bangla koutuk. Show all posts
Showing posts with label Bangla koutuk. Show all posts

Thursday, April 11, 2013

Bangla Jokes | বাংলা কৌতুক -- নন্দলাল, চিড়িয়াখানা

* নন্দলাল

একদিন নন্দলাল এক ডাক্তার-বন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে তার বাসায় গেল। একটু পর হুট করেই বৃষ্টি শুরু হলো। বৃষ্টি দেখে ডাক্তার বললেন, 'নন্দলাল, তোমার তো ছাতা নেই আর বাইরেও খুব বৃষ্টি, তুমি বরং আজকের রাতটা আমার বাসায়ই থেকে যাও।' নন্দলাল তো এক কথায় রাজি হয়ে গেল। ভেতর থেকে ডাক্তার রাতের খাবারের জন্য নন্দলালকে ডাকতে এসে দেখলেন, সে নেই। ডাক্তার মহা চিন্তায় পড়লেন। একটু পর নন্দলাল গায়ের কাপড় ভেজা অবস্থায় হাতে একটা রাতের পোশাক নিয়ে ডাক্তারের সামনে হাজির হলো। ডাক্তার নন্দলালকে দেখে রাগত স্বরে বললেন, 'আমাকে না জানিয়ে এতক্ষণ কোথায় ছিলে? আমি তো মহা চিন্তায় পড়েছিলাম।' নন্দলাল বলল, 'আমি যে বৃষ্টির কারণে আজকের রাতটা তোমার বাসায় থাকব, সে কথাটি আমার বাসায় বলতে গিয়েছিলাম। আর সেই সঙ্গে রাতের পোশাকটাও নিয়ে এলাম।'

চিড়িয়াখানা

চিড়িয়াখানার প্রধান কর্মকর্তা তড়িঘড়ি করে ডেকে পাঠালেন বাঘের খাঁচার দায়িত্বে থাকা কিউরেটরকে।
কিউরেটর :স্যার আমাকে কেন ডেকেছেন জানতে পারি?
চিড়িয়াখানা প্রধান :তুমি জানো তুমি যে অপরাধ করেছ তার জন্য তোমার চাকরি যেতে পারে।
কিউরেটর :কেন স্যার, কি করেছি।
চিড়িয়াখানা প্রধান :তুমি কাল বাঘের খাঁচার দরজা ঠিকমতো না লাগিয়েই ঘুমিয়ে পড়েছিলে। তুমি জানো, এর জন্য কত বড় ক্ষতি হতে পারত?
কিউরেটর :আপনি যে কি বলেন স্যার। ক্ষতি আর কী হবে? কোন গর্দভ খাঁচা খোলা পেয়ে বাঘ চুরি করতে আসবে বলুন!

Bangla Jokes | বাংলা কৌতুক -- কৌতুক বলা, নখ কামড়ানো

চূড়ান্ত অ্যাকশনে যাওয়া

কর্মচারী :স্যার, আপনাকে অনেকদিন বলার পরও আপনি আমার বেতন বাড়াচ্ছেন না দেখে এবার চূড়ান্ত অ্যাকশনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
বস :(রাগত স্বরে) তা কী করবে তুমি?
কর্মচারী :তেমন কিছুই না। শুধু আপনার রুম থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর অফিসের অন্য সবাইকে বলব যে আপনি আমার বেতন দেড়গুণ বাড়িয়ে দিয়েছেন।

 কৌতুক বলা

অফিসের মিটিং শেষে বস তার অধীনস্থদের একের পর এক কৌতুক শোনাচ্ছেন আর তা শুনে সবাই হেসে গড়াগড়ি খাচ্ছে। কিন্তু বেশ কয়েকটি কৌতুক বলার পরও যখন মিস মিলি খুব একটা হাসছিলেন না তখন বস তার কাছে জানতে চাইলেন—
:কী বিষয় মিলি? আপনার কি আজকের কৌতুকগুলো ভালো লাগছে না?
:আপনার কৌতুক আমার কখনোই খুব একটা ভালো লাগে না স্যার!
:কিন্তু আপনিই তো সব সময় বেশি হাসতেন।
:হুম তখন তো আমি এখানে চাকরি করতাম। আর কাল থেকে আমি অন্য অফিসে যোগ দিচ্ছি তো তাই আজ আর হাসি পাচ্ছে না!

নখ কামড়ানো

প্রথম বন্ধু :শোন তোর এই নখ কামড়ানোর বদভ্যাসটা না আমার একদম সহ্য হয় না। দেখলেই গা জ্বালা করে।
দ্বিতীয় বন্ধু :মানছি এটা খারাপ। কিন্তু নখ কী কাজে লাগে বল?
প্রথম বন্ধু :আশ্চর্য! তোর যদি নখ না থাকে তাহলে নাক বা কান চুলকাতে সমস্যা হয় না!

Wednesday, April 10, 2013

Bangla Jokes | বাংলা কৌতুক -- মাছ ধরা, আত্মসংবরণ

মাছ ধরা

ভারত মহাসাগরের তীরে এক তরুণ ভারতীয় বেশ অলস ভঙ্গিতে মাথায় টুপি দিয়ে শুয়ে আছে। আর তার থেকে খানিকটা দূরেই ছিপ ও মাছ ধরার সরঞ্জাম নিয়ে মাছ ধরার প্রাণান্তকর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল এক আমেরিকান। বেশ কয়েকটি মাছ পাওয়ার পর সে খানিকটা বিশ্রাম নেওয়ার জন্য তীরে এসে বসল। আর তখনই তার চোখ গেল ভারতীয় তরুণটির দিকে। সে তার দিকে তাকিয়ে বেশ অবজ্ঞার সুরেই বললো - 'তোমাদের এই এক দোষ। যে বয়সে পরিশ্রম করা উচিত সে বয়সে তোমরা ঘুমিয়ে সময় নষ্ট করো। অথচ দেখো, আমি এই শেষ বয়সে এসেও নিরন্তর পরিশ্রম করে যাচ্ছি মাছ ধরার জন্য।' আমেরিকান লোকটির এই বিদ্রুপে বিন্দুমাত্র বিরক্ত না হয়ে তরুণটি জিজ্ঞাসা করল, 'এভাবে মাছ ধরে কী হবে?' আমেরিকানটি এই প্রশ্নের উত্তরে বেশ বিজ্ঞের মতো বলতে শুরু করল, 'তুমি খুবই হাসির কথা বললে। মাছ ধরলে কী হবে এটা কোনো প্রশ্ন হলো। এভাবে মাছ ধরলে সেই মাছ বেঁচে তোমার অনেক টাকা হবে। তারপর সেই টাকা দিয়ে তুমি একটা মাছ ধরা ট্রলার কিনতে পারবে। তারপর তোমার জালে আরও মাছ ধরা পড়বে। তারপর সেই মাছ বিক্রি করে তোমার আরও আরও টাকা হবে। তারপর সেই টাকা দিয়ে তুমি আরও ট্রলার কিনতে পারবে এবং একসময় একটা মাছ প্রক্রিয়াজাতকরণ খামারও দিতে পারবে। তখন তুমি সত্যিকার অর্থেই নিশ্চিন্ত হয়ে এভাবে সমুদ্র সৈকতে শুয়ে থাকতে পারবে।' আমেরিকানটির এই দীর্ঘ বক্তৃতা শুনে তরুণটি তার ঠোঁটের কোনে একটু হাসি ঝুলিয়ে বললো - 'তুমি যা বললে আমি আসলে এখন ঠিক তাই করছি!'

আত্মসংবরণ

সর্দারজি ও তার এক বন্ধুর মধ্যে কথা হচ্ছে—
সর্দারজি :জানিস, কাল রাতে একটি মেয়েকে একজনের কুদৃষ্টি থেকে বাঁচিয়েছি। না হলে কাল নির্ঘাত বড়সড় একটা ঝামেলা হয়ে যেত।
বন্ধু :বলিস কী রে! তুই তো মহান। তা কীভাবে ওই দৃষ্টি থেকে মেয়েটিকে রক্ষা করলি?
সর্দারজি :আরে বোকা, এ জন্য মহান হতে হয় না। শুধু আত্মসংবরণ করলেই হয়। বুঝলি।

Source: www.ittefaq.com.bd

Bangla Jokes | বাংলা কৌতুক -- আস্তে আস্তে লিখছি, টাকা দেয়নি

* আস্তে আস্তে লিখছি

এক সর্দারকে খুব আস্তে আস্তে একটা কাগজে কী যেন একটা লিখতে দেখে খুব কৌতূহল হলে তার পাশে বসে থাকা ব্যক্তির।
প্রথম ব্যক্তি :এই যে সর্দারজি, এতো আস্তে আস্তে কী লিখছেন?
সর্দারজি :এই তো আমার ছোট ছেলেটাকে একটা চিঠি লিখছি।
প্রথম ব্যক্তি :তা তো বুঝলাম। কিন্তু এতো আস্তে আস্তে চিঠি লিখবার কী কারণ?
সর্দারজি :আসলে আমার ছেলেটার বয়স তো মাত্র সাত বছর। তাই ও দ্রুত পড়তে পারে না। আর ও যেন আস্তে আস্তে পড়তে পারে সে জন্যই আমি আস্তে আস্তে লিখছি।

* টাকা দেয়নি

রাশেদ :কিরে দোস্ত, মন খারাপ কেন তোর?
শাহেদ :আর বলিস না, একটা বই কেনার জন্য বাবার কাছে টাকা চেয়েছিলাম।
রাশেদ :টাকা দেয়নি?
শাহেদ :না, বইটা নিজেই কিনে এনেছে।

ছেলের খবর

:আপনার ছেলের খবর কি? থাকে কোথায় ? কেমন রোজগার করছে?
:জানি না ! খবর পেলে আমারই লাভ হত। কিছু রোজগার করতে পারতাম।
:মানে?
:ওকে ধরে থানায় হাজির করতে পারলেই পঁচিশ হাজার টাকা পাওয়া যেত। সরকার থেকে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে।

Source: www.ittefaq.com.bd

Tuesday, April 9, 2013

Bangla Jokes | বাংলা কৌতুক -- পরীক্ষায় পাশ, কলিংবেল

* পরীক্ষায় পাশ

বাবা :তোকে আমি কথা দিয়েছিলাম যে এবার পরীক্ষায় পাশ করতে পারলে তোকে একটা সাইকেল কিনে দেব। অথচ তারপরও তুই পাশ করতে পারলি না। কী করেছিস তাহলে এতোদিন?
ছেলে :আমি তো সাইকেল চালানো শিখছিলাম বাবা।

* কলিংবেল

রাস্তার পাশে একটা ছেলেকে অনেকক্ষণ ধরেই বাসার কলিংবেল দেওয়ার চেষ্টা করতে দেখে মায়া হলো করিম সাহেবের। তিনি দেখলেন বাচ্চা ছেলেটি অনেক লাফ-ঝাঁপ দিয়ে বেলের সুইচটা ধরতে চেষ্টা করলেও কিছুতেই তা পারছে না। তাই করিম সাহেব নিজেই কাছে গিয়ে বেলটা বাজিয়ে দিলেন। কিন্তু বেলের সুইচে টিপ দিতেই বাচ্চা ছেলেটি করিম সাহেবের দিকে তাকিয়ে বলল, 'আমি তো এখন এক দৌড়ে পালিয়ে যাব। কিন্তু আপনি কী করবেন!'

* পাথর ছুড়েছে

বাবা :শুনলাম তুমি না কি রনির গায়ে পাথর ছুড়ে মেরেছ? কেন পাথর মেরেছ ও কে?
ছেলে :বা রে, ওই তো আগে আমাকে পাথর ছুড়েছে। আর ও মারার পর আমিও ওকে মেরেছি।
বাবা :কিন্তু তোমাকে না বলেছি এমন কিছু হলে আগে আমাকে এসে বলতে।
ছেলে :হুম! তোমাকে বলে কী লাভ? তোমার হাতের নিশানা তো আমার চেয়েও খারাপ!

* কলমের কালি

মেয়ে :আচ্ছা বাবা কলমের কালির কি অনেক দাম?
বাবা :না তো! কিন্তু তুমি হঠাত্ একথা জানতে চাইছ কেন?
মেয়ে :না মা'র শাড়িতে সামান্য দুফোটা কালি পড়েছে বলে মা আমাকে অনেক বকল তো তাই জানতে চাইছি!

Source: www.ittefaq.com.bd

Bangla Jokes | বাংলা কৌতুক

* ছিনতাইকারী

বেশ অনেকটার রাত করে দোকান থেকে বাড়ি ফিরছিলেন এক সর্দারজি। হঠাত্ করে তার পথ আগলে দাঁড়ালো দুই ছিনতাইকারী। কিন্তু সুঠাম দেহের অধিকারী সর্দার কিছুতেই ছিনতাইকারীদের হাতে তার সবকিছু দিতে রাজি নন। তাই দুই ছিনতাইকারীর সাথে বেশ অনেকক্ষণ ধস্তাধস্তি হলো তার। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই হার মানতে হলো সর্দারকে। তবে তার পকেট থেকে মানিব্যাগ কেড়ে নেওয়ার পর যখন দেখা গেল সেখানে মাত্র পাঁচ রূপির একটা নোট আছে তখন ছিনতাইকারীরা ভীষণ বিরক্ত হয়ে তার কাছে জানতে চাইল, 'আশ্চর্য লোক তো তুমি! মাত্র পাঁচ রুপির জন্য এভাবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমাদের সাথে মারামারি করলে!'
'না আমি তো ভেবেছিলাম তোমরা আমরা জুতার নিচে লূকিয়ে রাখা ৫০০ রুপিও নিয়ে যাবে!' - জবাবে বললেন সর্দারজি।

* অযথা শব্দ 

দেখুন আমার বাড়িতে আপনাকে ভাড়া দিতে পারি। তবে আপনাকে কথা দিতে হবে যে আপনি আমার বাড়িতে কোনো ধরনের হাউকাউ বা অযথা শব্দ করবেন না। তা আপনার কোনো ছোট ছেলেমেয়ে নেই তো!
:জ্বি না।
:কোনো বাদ্যযন্ত্র যেমন হারমোনিয়াম বা তবলা বাজানোর অভ্যাস আছে?
:জ্বি, না। আমি ওগুলো বাজাতে পারি না।
:ফুল ভলিউমে গান শোনার অভ্যাস?
:জ্বি না, তাও নেই।
:পোষা কুকুর বা বিড়াল?
:নেই।
:আচ্ছা আপনার কলমটা বের করে এই কাগজে একটু লিখুন তো।
:কেন তাতে আবার কী হবে?
:না মানে অনেকে আবার লেখার সময় খসখস আওয়াজ হয় কি না!

Source: www.ittefaq.com.bd

Monday, April 8, 2013

Bangla Jokes | বাংলা কৌতুক


* ডাক্তার দেখা---------------------
দুয়ারে নতুন বছর। ভাগ্যের হালচালটা জেনে নিতে হাবলু হানা দিল এক জ্যোতিষবাবার আস্তানায়। বলল, ‘বাবা, কদিন হলো ডান হাতটা খুব চুলকাচ্ছে। কিসের লক্ষণ বলুন তো?’
হাবলু: বাবা, আমার বাঁ হাতের তালুও চুলকায়।
জ্যোতিষবাবা: বলিস কী? তোর তো বিদেশযাত্রা শুভ!
হাবলু: (খুশিতে গদগদ হয়ে) বাবা, আমার ডান পা’টাও কিন্তু একটু একটু চুলকাচ্ছে।
জ্যোতিষবাবা: দূর ব্যাটা, তোর চুলকানি আছে। ডাক্তার দেখা।
জ্যোতিষবাবা: হুম্! তোর ওপর মঙ্গলের প্রভাব রয়েছে। আসছে বছর তোর হাতে প্রচুর টাকা আসবে।
* পোস্টম্যান---------------------পোস্টম্যান :তোমার এই প্যাকেট ডেলিভারি দেওয়ার জন্য আমাকে পাঁচ মাইল হেঁটে আসতে হলো?সর্দার :কী দরকার ছিল এত কষ্ট করার? তুমি পোস্ট করে দিলেই তো পারতে।

* সুইমিং পুল---------------------এক সর্দার দুটি সুইমিং পুল বানিয়েছে। তার একটার মধ্যে পানি দিয়ে ভর্তি করলেও আরেকটা পানি ছাড়াই রেখে দিয়েছে। তার কাছে বিষয়টা জানতে চাইলে সে বলল, 'একটা হচ্ছে যারা সাঁতার জানে তাদের জন্য, আর পানি ছাড়াটা হচ্ছে যারা সাঁতার জানে না তাদের জন্য।'